Latests News

View more

একজন মা ও নমের আলির মুক্তিযুদ্ধ

  ক’দিন থেকেই নস্টালজিয়ার ভুগছি। মন থেকে

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে ড. আবেদ চৌধুরী’র আবিষ্কার

ড. আবেদ চৌধুরী। বর্তমান সময়ে তার যুগান্তকারী

মেলবোর্নের চিঠি – ১

বিশেষত প্রবাস জীবন বেঁছে নেয়ার পিছনে থাকে

মিনার মাহমুদ – বিচিন্তা নামের একটা পত্রিকা

ফজলুল বারী: এখন নয়া পল্টনের গাজী ভবন

চৈতালী ত্রিপুরা এখন অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে

Pallab Rangei: অনেকটা নীরবে দেশ ছেড়ে চলে

বাংলাদেশে বাল্য বিবাহ আইন

ফজলুল বারী: বাল্য বিবাহ আইন জায়েজ করতে

প্রতীতির বর্ষবরণ ১৪২৪ | এ্যাশফিল্ড পার্ক

পৃথিবীর সব জনগোষ্ঠীরই নিজস্ব উৎসব আছে। এই

তারেক মাসুদ, মিশুক মুনির

ফজলুল বারী: অমর চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ, সাংবাদিক মিশুক

Latest News

View all posts

একজন মা ও নমের আলির মুক্তিযুদ্ধ

  ক’দিন থেকেই নস্টালজিয়ার ভুগছি। মন থেকে কোনভাবেই স্মৃতিগুলো সরাতে পারছি না। মানসপটে ভেসে আসছে আধা শুভ্র চুল দাঁড়ির একজন

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে ড. আবেদ চৌধুরী’র আবিষ্কার

ড. আবেদ চৌধুরী। বর্তমান সময়ে তার যুগান্তকারী একটি উদ্ভাবন হলো সোনালী মিনিকেট চাল। যে চাল খেলে রক্তে শর্করা এবং সুগার

মেলবোর্নের চিঠি – ১

বিশেষত প্রবাস জীবন বেঁছে নেয়ার পিছনে থাকে কিছু টুকরো গল্প। সুখ-দুঃখ গল্পগাঁথা ছাপিয়ে শুরুতে কেবল একটা আশা বা প্রত্যাশার ভেলায়

মিনার মাহমুদ – বিচিন্তা নামের একটা পত্রিকা

ফজলুল বারী: এখন নয়া পল্টনের গাজী ভবন যেখানে সেখানে তখন সাদা রঙের পুরনো একতলা একটি বাড়ি ছিল। সে বাড়িতে ছিল

চৈতালী ত্রিপুরা এখন অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে

Pallab Rangei: অনেকটা নীরবে দেশ ছেড়ে চলে গেলেন আমাদের সুহৃদ সহযোদ্ধা চৈতালী ত্রিপুরা। স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য স্বপরিবারে পাড়ি জমালেন

বাংলাদেশে বাল্য বিবাহ আইন

ফজলুল বারী: বাল্য বিবাহ আইন জায়েজ করতে কিছু জ্ঞানপাপী নানা মিডিয়ায় নানান অসত্য তথ্য দিয়ে যাচ্ছেন! বিদেশেও নাকি এমন আইন

Film, Book, Art & Others

View all posts
0

প্রতীতির বর্ষবরণ ১৪২৪ | এ্যাশফিল্ড পার্ক

পৃথিবীর সব জনগোষ্ঠীরই নিজস্ব উৎসব আছে। এই উৎসবের মধ্যে দিয়েই মানুষরা একত্রে মিলিত হয়, পরস্পরের হৃদয় দিয়ে হৃদয়কে অনুভব করে; ব্যক্তিগত মালিন্য ও ক্ষুদ্রতাকে সমস্টির ধারাস্রোতে ভাসিয়ে দেয়। এসব উৎসব

Read More

বিকেলের সেকেলে গল্পখানি

ঘুড়িটির সাথে সাথে বিকেলটি উড়ে উড়ে যায়। পুরনো এ ঢাকার বিকেল- কানে কানে শিস দিয়ে বলে, ঘাসফড়িং-এর মতো সবুজাভ নরম

জ্বলে দীপ সন্ধ্যা আসে

­­­­­জ্বলে দীপ সন্ধ্যা আসে লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী   আমাদের গাঁয়ে আছে ছোট ছোট মাঠ, কাজলা দিঘিতে আছে শান বাঁধা ঘাট। দিঘি

চাষীর চোখে আজ জল!

চাষীর চোখে আজ জল! লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী   চাষীর চোখে আজ জল! পাঁচশো আর হাজার টাকার নোট হয়ে গেছে অচল। ঘরে

আমার গাঁয়ে প্রভাত কালে

আমার গাঁয়ে প্রভাত কালে লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী   আমার গাঁয়ে প্রভাত কালে, রোজ প্রভাত পাখিরা গাহে। পূব গগনে ওঠে সোনার রবি,

আমার গাঁয়ে রোজ প্রভাতবেলায়

আমার গাঁয়ে রোজ প্রভাতবেলায় লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী   আমার গাঁয়ে রোজ প্রভাতবেলায়, বিহগেরা সব ডাকে তরুর শাখায়। মাঠে যায় সকালে চাষীরা

নির্জন পথে আঁধার নামে

নির্জন পথে আঁধার নামে লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী   নদীর কূলে পড়ে আসে বেলা চাষীরে ফেরে ঘরে, দূরে দূরে গ্রামে জ্বলে উঠে