Home | Articles | Bangla Article by Dr Farid Ahmed

Bangla Article by Dr Farid Ahmed

Font size: Decrease font Enlarge font
image

Bangla Article by Dr Farid Ahmed has written in Bangla. If your computer does not support Bangla, you may consider to read attahed pdf file.

[English Text only]

পদত্যাগ অন্যায়ের দ্বার উম্মোচন করে
অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমেদ, দর্শন বিভাগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

সোহেল তাজ পদত্যাগ করেছেন। জাতির উদ্দেশ্যে এই বরেণ্য তরুণ নেতা অনেক কথাও বলেছেন। কেঊ তাঁর পদত্যাগ চায়নি। তথাপি তিনি পদত্যাগ করেছেন। আমি মনে করি তাঁর পদত্যগ র্দূনীতি, অন্যায় ও অনিয়মের দ্বারকে প্রশস্ত করবে। আমার এমতের সঙ্গে আরোও অনেকেই একমত হবেন বলে আমার বিশ্বাস। কারণ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও একটি উন্নত রাষ্ট্র যেখানে বর্তমানে তিনি বসবাস করেন তার প্রেক্ষাপট ভিন্নতর।

পদত্যাগের সমস্যায় অতিসম্প্রতিকালে আমি নিজেই পড়েছি। আমার এক সম্মানিত সহকর্মী সোহেল তাজের বাবার বন্ধু ও তাঁর রাজনৈতিক গুরু, বিদগ্ধ দার্শনিক, আমাদের শিক্ষক অধ্যাপক সরদার ফজলুল করিম-এর উদহারণ দিয়ে আমাকে বলেছিলেন পদত্যাগ করতে। কতকগুলি বিষয় নিয়ে তারমত আমার পক্ষে সত্য বলা সম্ভব ছিল না। এবং কতকগুলি বিষয় নিয়ে মন্তব্য করাও নিরাপদ ছিল না(যেমনটি আজ সোহেল তাজ বলছেন) বিধায় আমি সেই সহকর্মীকে তাৎক্ষণিকভাবে সন্তুষ্ট করতে পারছিলাম না।

ঐ সময় আমার আরেক সহকর্মী আমাকে ঘৃণাভরে পদত্যাগের পরামর্শ দিয়েছিলেন। অন্য সহকর্মী অনেক মিষ্ট কথা বলেছেন পদত্যাগে প্ররোচিত করতে এবং উর্দ্ধতন কতৃপক্ষও আমাকে আমার নিরাপত্তার কথা মাথায় রাখতে বলেছিলেন। আমি অন্যায়কে প্রশয় দেবনা বলেই পদত্যাগ করিনি। আমি এখনও বিশ্বাস করি পদত্যাগ অন্যায়ের দ্বার প্রশস্থ করে এবং লড়াকু সৈনিককে নিরস্ত্র করে এবং মানবাধিকারকে হুমকির মুখে ফেলে।

অতিসম্প্রতি বিরোধীদল সরকারের পদত্যাগ দাবী করছে। অন্যদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজ নামের একটি সংগঠন ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ দাবী করছেন। তেমনি অভিযোগ এনে পদত্যাগের দাবী করছেন বুয়েট শিক্ষক সমিতি। আর এইসব পদত্যাগের দাবীর প্রেক্ষিতে জনকন্ঠ সাংবাদিক উদ্বেগ প্রকাশ করে লিখেছেন যে এ সব পদত্যাগের দাবী অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও এ দাবী উঠতে পারে। ঠিক সেই সময়ে সোহেল তাজ পদত্যাগ করে আসলে বিরোধীদল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আন্দোলনরত শিক্ষক সমাজের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করলেন। অথচ তিনিই ঐ বিরোধীদল জামায়ত-শিবির-বিএনপি জোটের নির্যাতনের ইতিহাস বর্ণনা করে রাজনীতিতে আসবার যৌক্তিকতা প্রমাণ করেছেন।

নৈতিকতার কোন সার্বজনীন মানদন্ড আমাদের নেই। আর তাই কখনও আমরা কর্তব্যর ধারণা, কখনও কি সুফল আসতে পারে তার পূর্বাভাস বা উপযোগিতার পরিমান অনুমান করে সিদ্ধান্ত নেই। আমার কাছে মনে হয়েছে, এগুলোর কোনটাই সোহেল তাজের বেলায় প্রযোজ্য নয়। বাংলাদেশের মানুষকে তিনি ভালবাসেন। তার সেই ভালবাসাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে তাঁর অসময়োচিত পদত্যাগকে।

আজ সাবেক সাংসদ ইলিয়াস আলীর তথাকথিত গুমের প্রতিবাদে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ওই জামায়ত-বিএনপি তিনদিন ধরে হরতাল করছেন। এতে করে নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, সম্পদের ক্ষতি হয়েছে, মানুষ অসহায় বোধ করছেন, তখন তিনি কেবল আত্ম মর্যাদাবোধকে মুখ্য করে দেখেছেন বলে প্রতীয়মান হয়। ঐ যে বলেছি যদি মানব প্রেম বা দেশপ্রেম মুখ্য হয়, তবে প্রতিবাদ করতে হবে সক্রিয় থেকে। পদ ভাল কাজ করবার ও প্রতিবাদের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার ও শক্তি। শত্রুপক্ষ, ও অন্যায়কারী ভাল মানুষদেরকে তাই পদলোভী হিসেবে প্রমাণ করতে সচেষ্ট হয়। ওরা সেই শৃগালের মত চালাক। আর যারা নীতিবান তারা কেবল ভুল করে প্ররোচনার ফাঁদে পা দেন। এর অর্থ এই নয় যে, বিরোধীপক্ষে কেবল শৃগালই আছে। সেখানেও ভাল মানুষ আছে। কিন্তু তাঁরা তাঁদের ভুল বুঝতে পারে যখন সময় পেরিয়ে যায়।

সোহেল তাজ ফিরে আসবেন, আবার রাজনীতি শুরু করবেন, দেশের মানুষের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ হবেন এটাই জাতির প্রত্যাশা। আর যারা বিরোধীদলে আছেন এবং দেশের ভাল চান তারাও পদত্যাগের দাবী প্রত্যাখান করে, হরতাল, অবরোধ, ভাঙ্গচুর. জ্বালাও পোড়াও থেকে সকলকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেবেন। একটি বাস পুড়লে আমাদেরকেই ভোগান্তির শিকার হতে হয়। একদিন ক্লাস না হলে আমরাই ক্ষতিগ্রস্থ হই। প্রতিবাদের ভাষা পদত্যাগ তখনই যৌক্তিক হতে পারে যখন সবাই একমত হন যেমনটি ১৯৯০ সালে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষকরা করেছিলেন।

পদত্যাগ অর্থপূর্ণ হবে যখন দূবৃর্ত্ত ওই পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ থাকবে না এবং সোহেল তাজের চাইতে আরোও যোগ্য কেঊ পদের দাবীদার হবেন। সোহেল তাজের পদত্যাগ, কিংবা জাহাঙ্গীরনগর বা বুয়েট উপাচার্যর পদত্যাগ বা বিরোধীদলের দাবিতে সরকারের পদত্যাগ জাতির আকাংখা পূরণে ও জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। পদত্যাগ মহামতি তাজউদ্দিন আহমেদের আত্মত্যাগ, এবং লাখো শহীদ ও লক্ষ মা-বোনের অবদানে অর্জিত স্বাধীনতাকে বিপন্ন করবে। বিপন্ন বাংলাদেশকে সুরক্ষায় সোহেল তাজ শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকবেন বলে জাতি প্রত্যাশা করে।     

Subscribe to comments feed Comments (2 posted)

avatar
29/04/2012 03:21:32
জাবিতে সাংস্কৃতিক কর্মীদের পেটাল ছাত্রলীগ


Sat, Apr 28th, 2012 7:29 pm BdST

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, এপ্রিল ২৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে মিছিল করায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক জোটের ছয় সদস্যকে পিটিয়ে আহত করেছে উপাচার্যপন্থী হিসাবে পরিচিত ছাত্রলীগ কর্মীরা।

সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি কলি মাহমুদসহ আহতদের সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক শিক্ষার্থী জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ছাত্রলীগের শরীফ, শাকিল, সম্রাটের নেতৃত্বে প্রায় ৫০ জন নেতা-কর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে কলি মাহমুদকে মারধর করে।

এরপর তারা টিএসসি এলাকায় নাটকের মহড়ারত সাংস্কৃতিক জোটের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। রড, পাইপ, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে জোটের সদস্যদের বেধড়ক পিটুনি দেয় তারা।

এ সময় সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি মঈন মুনতাসির কার্তিক, সদস্য তৌফিকুল ইসলাম অর্ন, সুশান, সুদীপ ভট্টাচার্য ও ফরিদউদ্দীন মাসুদ আহত হন। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর সুকল্যাণ কুমার কুণ্ডু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা ঘটনা শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আগের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে শনিবার বেলা ১২টার দিকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে সাংস্কৃতিক জোট। সন্ধ্যায়ও একই দাবিতে সমাবেশের কর্মসূচি ছিল তাদের।

উপাচার্য শরিফ এনামুল কবিরের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ঘেরাওয়ের মধ্যে শুক্রবার সিন্ডিকেটের জরুরি বৈঠকে আগামী ৫ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এক মাসের গ্রীষ্মকালীন ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয় ও বাসভবনসহ সব ভবনের সামনে মিছিল, অবরোধসহ যে কোনো কর্মসূচি না করার জন্য বলা হয়।
উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আকন্দের ওপর হামলার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনেরও সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেটের বৈঠকে।

অবশ্য ‘শিক্ষক সমাজ’ ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানিয়েছেন, উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দালন চলবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/এএইচ/জেকে/১৯২২ ঘ.
avatar
Shanewaz 29/04/2012 15:26:37
The cultural team is formed to support movement of Teachers Forum. They belong to Chatra Dal and Islami Chartra Sibir.They want resignation of the JU VC.
They have failed to establish their case.Now they are creating news to attract the nation.
They are immitating how AL did to fall Ershad and Khaleda.
total: 2 | displaying: 1 - 2

Post your comment

  • Bold
  • Italic
  • Underline
  • Quote

Please enter the code you see in the image:

Captcha
  • email Email to a friend
  • print Print version
  • Plain text Plain text

Tagged as:

No tags for this article
Author info

Give Addrita a right to live
Give Addrita a right to live
omission
Short Film About Bengali Immigrants
Performer Needed
Media Partner - PriyoAustralia
Priyo Writers

Navigate archive
first first May, 2013 first first
Su Mo Tu We Th Fr Sa
1 2 3 4
5 6 7 8 9 10 11
12 13 14 15 16 17 18
19 20 21 22 23 24 25
26 27 28 29 30 31