Shok Dibosh Palon in Sydney
Al Noman Shamim reports on Shok Dibosh Palon in Sydney and the report has written in Bangla. If your computer does not support Bangla, you may consider to read attached pdf file.
[English Text only]
১৫ই আগষ্ট : অস্ট্রেলিয়াতে শোক দিবস পালন
গত ১৫ই আগষ্ট ছিল জাতীয় শোক দিবস ।বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অস্ট্রেলিয়া পালন করে নিল শোক দিবস ২০১০। আমাদের সবাইকে জীবদ্দশায় কাউকে না কাউকে অনুসরণ করতে হয়।আমাদের জীবনে যদি দেশ ভক্তির অনুসারী বা উদাহরণ কাউকে মানতে হয় সেটা এই গোটা বাংলাদেশীদের কাছে শুধু একজনই হবেন আর তিনি হলেন জাতীরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দেশ, মা এবং মাটির টান কী হতে পারে তার সম্পুর্ন উদাহরণ ছিলেন তিনি। আজ আমাদের এই সোনার বাংলা হয়ত হতনা যদিনা তার বলিষ্ঠ কন্ঠ সোচ্চার থাকত এবং যদিনা তার নেতৃত্ব মজবুত থাকত । তার কন্ঠ ও নেতৃত্ব আমাদের স্বাধীনতার পথকে রেখেছিল অটুট আর তাই আজ আমরা স্বাধীন এবং সার্বভৌম।
শেখ মুজিবুর রহমান মানে শুধু রাজনীতি নয়। উনি দেশ প্রেমের উদাহরণ, সেই মহান ব্যক্তিত্ব, যার জন্য আমরা আমাদের স্বাধীন দেশ পেয়েছি। গত ১৫ই আগষ্ট ছিল এই মহান ব্যক্তিত্বের শাহাদাৎ বার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট আমাদের এই মহান ব্যক্তিত্ব, জাতীর জনককে স্ব-পরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। আর সেই কথা স্মরণে রেখেই দেশ এবং জাতী তার জন্য উৎসর্গ করেছে ১৫ই আগষ্ট, আমাদের জাতীয় শোক দিবস ।
শোক দিবসের এই ছাঁয়া থেকে অস্ট্রেলিয়াও বাদ যায়না। অস্ট্রেলিয়াতেও শোক দিবস পালিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ, অস্ট্রেলিয়া গত ১৫ই আগষ্ট পালন করে নিল তাদের শোক দিবস’২০১০। রমজানের এই মহান মাসে শোক দিবসে আলোচনার সাথে ছিল ইফতার এবং রাতের খাবারের ব্যবস্থা।
বঙ্গবন্ধু এমনই একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন যাকে নিয়ে আলোচনা শেষ করা যাবেনা। শোক দিবসে তার স্মৃতিচারণ করলেন জনাব অজয় দাস গুপ্ত, প্রফেসর মোহাম্মদ আলী, বঙ্গবন্ধু সংগঠন অস্ট্রেলিয়ার জনাব শেখ শামীম, বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মোঃ উসমান গণি, জনাব আব্দুল জলীল, প্রেসিডেন্ট ডঃ নিজাম উদ্দিন আহমেদ এবং প্রধান অতিথি ব্রিসবেন থেকে আগত প্রফেসর ডঃ মোয়াজ্জেম হোসেন প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধু পরিষদ অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক জনাব শামীম বাবু বলেন উনারা চেষ্ঠা করেছেন সবার উপস্থিতিতে এক সুন্দর এবং সফল অনুষ্ঠান করার যেখানে রোজার এই পবিত্র মাসের সম্মানে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগহেরাত ও দোয়া জ্ঞাপন হয়। অনুষ্ঠানটি সেভাবেই হয়েছে, ইফতারের ঠিক আগ মূহুর্তে বঙ্গবন্ধুর জন্য দোয়া হয়, এরপর মাগরিবের নামাজ এবং নামাজের পর আমাদের সবার অতি পরিচিত মুখ লরি ফারগুসনের বঙ্গবন্ধু বিষয়ক কিছু কথা আর রাতের খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের ইতি টানা হয়।











Post your comment