Home | Readers Link | Jute genome decoded in Bangladesh

Jute genome decoded in Bangladesh

Font size: Decrease font Enlarge font
image

Golden fibre to become healthy, high yielding, weather-tolerant; Hawaii-based Bangladeshi scientist leads team to landmark discovery

[English Text only]

Jute genome decoded [courtesy daily star]

পাট জিনোমের স্বপ্নযাত্রা - মুহম্মদ জাফর ইকবাল
আমি যে টেলিফোন কলটির জন্য অপেক্ষা করছিলাম সেটি এল পড়ন্ত বিকেলে। ডাটা সফটের মাহবুব জামান আমাকে ফোন করে জানালেন, এইমাত্র প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে পাট জিনোমের তথ্যটি প্রকাশ করেছেন। অত্যন্ত সযত্নে গোপন করে রাখা তথ্যটি আমি এখন সবাইকে বলতে পারব! আমি তিনতলা থেকে নিচে নেমে এসে আমার সহকর্মীদের জানালাম, বিজ্ঞানের যে কাজগুলো শুধু পৃথিবীর বড় বড় দেশগুলো করে এসেছে, ঠিক সে রকম একটা কাজ বাংলাদেশ করে ফেলেছে! প্রায় সন্ধ্যে নেমে এসেছে, ছাত্রছাত্রীদের বেশির ভাগই নেই, অতি উৎসাহী একজন সহকর্মীর ল্যাবরেটরিতে ছাত্রছাত্রীরা তখনো ক্লাস করছে। আমি সেই ক্লাসরুমে ঢুকে আমার সহকর্মী আর ছাত্রছাত্রীদের তথ্যটা জানালাম। সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীদের বিষয়টা একটু ব্যাখ্যা করতে হলো, গুরুত্বটা একটু বোঝাতে হলো, তখন তাদের আনন্দ দেখে কে! তারা হাততালি দিয়ে বলল, 'স্যার, এটা তো আমাদের সেলিব্রেট করতে হবে!'
বাংলাদেশ যখন ক্রিকেট খেলায় বড় প্রতিপক্ষকে হারায় তখন আমাদের ছাত্রছাত্রীরা 'সেলিব্রেট' করে, তাহলে বিজ্ঞানের পৃথিবীব্যাপী প্রতিযোগিতায় আমাদের ছাত্রছাত্রীরা যদি সব দেশকে হারিয়ে দেয়, সেটা কেন সেলিব্রেট করা হবে না? তাই ঝুম বৃষ্টির মাঝে তারা কেক কিনতে বের হয়ে গেল। কেক কেটে মোমবাতি জ্বালিয়ে হাততালি দিয়ে আমাদের নতুন প্রজন্ম পাট জিনোমের সিকোয়েন্স বের করার গৌরবের আনন্দটুকুতে অংশ নিল। তাদের উৎসাহী আনন্দময় মুখ দেখে আমার বুক ভরে যায়_কত দিন থেকে আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, আমরা সব কিছু পারি, জ্ঞান-বিজ্ঞানে আমরা পৃথিবীর যেকোনো দেশের সমকক্ষ হওয়ার ক্ষমতা রাখি_আর এই প্রথমবার আমরা সেটা প্রমাণ করে দেখাতে পারলাম!
আমার মনে হয় সাধারণ মানুষের অনেকেই হয়তো বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত নন, তাদের সোজা ভাষায় বোঝাতে হলে এভাবে বলা যায় : আমাদের চারপাশের জীবন্ত জগৎকে দেখলে একটু ভড়কে যাওয়ার কথা। চারপাশে কত বিচিত্র জীবন, একেবারে ক্ষুদ্র ভাইরাস থেকে সুবিশাল হাতি, ছোট্ট ঘাস থেকে বিশাল বটগাছ, মাকড়সা থেকে জলহস্তী, ডায়রিয়ার জীবাণু থেকে বুদ্ধিমান মানুষ_এই হিসাব কি কখনো বলে শেষ করা যাবে? কিন্তু তাদের ভেতর কি কোনো মিল খুঁজে পাওয়া সম্ভব? কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, পৃথিবীর সবচেয়ে সরলতম ভাইরাস থেকে সবচেয়ে জটিলতম মানব সন্তানের মাঝে একটা গভীর মিল আছে। তাদের সবার গঠনের একটা নীলনকশা আছে! সেই নীলনকশা অনুযায়ীই কেউ পিঁপড়া আর কেউ হাতি হয়ে গড়ে ওঠে। কেউ লজ্জাবতী গাছ আর কেউ বটগাছ হয়ে ওঠে। কেউ সাপ আর কেউ জলহস্তী হয়ে গড়ে ওঠে।
এটুকু তথ্যই হজম করা কঠিন, কিন্তু এর পরের অংশটুকু আরো চমকপ্রদ। সৃষ্টিজগতের সব প্রাণীর গড়ে ওঠার যে নীলনকশা সেই নীলনকশার ভাষা একটি! সেই ভাষাটি লেখা হয়েছে মাত্র চারটি অক্ষরে। বিজ্ঞানীর ভাষায় সেই চারটি অক্ষর হচ্ছে এ, টি, সি এবং জি_মৌলিক উপাদানগুলোর আদ্যক্ষর।
সাম্প্রতিককালে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি এমন একটা জায়গায় পেঁৗছে গেছে যে মানুষ ইচ্ছে করলেই চার অক্ষরে লেখা জীবনের সেই নীলনকশাটি পড়ে ফেলতে পারে। চার অক্ষর দিলে লেখা মানুষের জীবনের সেই নীলনকশাকে আমরা বলি মানব জিনোম। সব মিলিয়ে সেই জিনোম বা নীলনকশায় আছে তিন শ কোটি অক্ষর (বিজ্ঞানের ভাষায় বেস পেয়ার) পাটের বেলায় যার সংখ্যা হচ্ছে প্রায় অর্ধেক। একশ বিশ কোটি, এবং আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা সেই নীলনকশাটি পুরোটা বের করেছেন। (বিজ্ঞানের ভাষায় সেটাকে বলা হয় কীট জিনোমের সিকোয়েন্স বের করেছেন।)
পাট জিনোমের সংখ্যাটি দেখেই আমরা অনুমান করতে পারছি সেটা নিশ্চয়ই একটা ভয়ংকর জটিল কাজ_সঙ্গে সঙ্গে সবারই নিশ্চয়ই জানার কৌতূহল হয় বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা কেন এ রকম ভয়ংকর জটিল একটা কাজে হাত দিলেন? পাটের জিনোম বের করে আমাদের কী লাভ?
২.
এই প্রশ্নের উত্তরটিও পাট জিনোমের মতোই চমকপ্রদ! পাট জিনোম যেহেতু পাটের গঠনের নীলনকশা, তাই এর নামে পাটের সব তথ্য সাজিয়ে রাখা আছে। আমাদের দেশে শীতকালে পাট হয় না_যে কারণে হয় না সেই তথ্যটাও পাটের জিনোমের কোথাও না কোথাও আছে। বিজ্ঞানীরা খুঁজে বের করে সেটা পাল্টে দিতে পারেন_তখন দেখা যাবে নতুন প্রজাতির একটা পাট চলে এসেছে, যেটা কনকনে শীতেও লকলক করে বেড়ে উঠছে। কাজেই বিজ্ঞানীরা চাইলে ঠাণ্ডা পানির পাট, লোনা পানির পাট, কম পানির পাট, কাপড় বুননের পাট, তুলার মতো পাট, শক্ত পাট, নরম পাট, পোকা নিরোধক পাট, ঔষধি পাট, সুস্বাদু পাট, লম্বা পাট, খাটো পাট, এমনকি রঙিন পাট পর্যন্ত তৈরি করতে পারবেন! পাট জিনোম বের করে সবচেয়ে বড় কাজটি হয়ে গেছে_এখন বাকিটুকু শুধু সময়ের ব্যাপার।
পাট জিনোম বের করার এই অসাধারণ কাজটি বাংলাদেশ করে ফেলেছে_অন্যদের কথা জানি না, সে কারণে গর্বে এবং অহংকারে আমার মাটিতে পা পড়ছে না। যে মানুষটি না হলে সেটা হতো না তিনি হচ্ছেন মাকসুদুল আলম। তাঁর বাবা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন, যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে আট ভাইবোনের সংসারটিকে বুকে আগলে রক্ষা করেছিলেন তাঁর মা_সেই জীবনে কী পরিমাণ কষ্ট হয়েছে_ছেলেরা কতবার লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে কোনো একটা কাজ শুরু করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল সেই গল্প শুনেছি আমি মাকসুদুল আলমের বড় ভাই মেজর জেনারেল মঞ্জুরুল আলমের কাছে। (আমাদের দেশে তথ্যপ্রযুক্তির নানা ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার মানুষের খুব অভাব, বিটিআরসির সাবেক প্রধান এই মানুষটিকে সরকার কেন ব্যবহার করল না, সেটি আমার কাছে একটি রহস্য।) বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম দেশের বাইরে থাকেন। তিনি একটির পর একটি জিনোম বের করে পৃথিবী বিখ্যাত হয়েছেন। যে দেশের জন্য বাবা বুকের রক্ত দিয়েছেন সেই দেশের জন্য গভীর মমতা_বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পাল্টে দিতে পারে সেরকম একটা বিষয় হচ্ছে পাট, সেই পাটের জিনোম বাংলাদেশ থেকে বের করা হোক, এটি তার বহুদিনের স্বপ্ন। কাজটা শুরু করতে মাত্র পাঁচ কোটি টাকা লাগবে, কিন্তু সেই টাকার জোগান দেওয়া যাচ্ছে না। সবচেয়ে ভয়ের কথা, যদি এর আগে অন্য কোনো দেশ এটা বের করে ফেলে তা হলে মেধাস্বত্ব হয়ে যাবে সেই দেশটির_আমরা আর সেটি ফিরে পাব না। মাকসুদুল আলমের স্বপ্নের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন এই দেশের কিছু মানুষ, তাঁদের মধ্যে আছেন মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব জামান। যিনি বহু দিন থেকে তথ্যপ্রযুক্তির জগতে কাজ করে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম কাস্টমসকে কম্পিউটারায়ন করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আছেন প্রফেসর হাসিনা খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, যিনি পায়ের নখ থেকে মাথার চুলের ডগা পর্যন্ত গবেষক। আছে আমাদের মুনির হাসান, অসংখ্য পরিচয়ের একটি হচ্ছে যে গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সেক্রেটারি এবং এ রকম আরো অনেকে। দেশের বাইরে থেকে আছেন জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী। এই মানুষগুলো গবেষণা শুরু করার জন্য আক্ষরিক অর্থে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছে। পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করেছে_তাদের সেই গল্পগুলো শোনার মতো। আমাদের দেশের বিজ্ঞানের ধারক-বাহকদের কথা শুনে রাগে-দুঃখে-ক্ষোভে এই মানুষদের চোখে আক্ষরিক অর্থেই কখনো কখনো পানি চলে এসেছে। তবু তারা হাল ছাড়েনি।
পুরো বিষয়টার মোড় ঘুরে গেল যখন বিষয়টা আমাদের কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর নজরে নিয়ে আসা গেল। পাট জিনোম গবেষণার টাকা জোগাড় হয়ে গেল এবং কাজ শুরু হয়ে গেল গোপনে। (আমরা সবাই জানি আমাদের কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী কোনো রকম প্রশংসা বা প্রচারে বিশ্বাস করেন না, নীরবে কাজ করে যান। তাই আমি খুব ভয়ে ভয়ে তাঁর নামটি উচ্চারণ করছি, আমার সঙ্গে দেখা হলে সে জন্য আমার কপালে খানিকটা দুঃখ থাকতে পারে জেনেও!)
পৃথিবীর বড় বড় দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা, খবর পেলে কোটি কোটি ডলার খরচ করে রাতারাতি জিনোম বের করে মেধাস্বত্ব কিনে নেবে, তাই পুরো ব্যাপারটিতে চরম একটা গোপনীয়তা। আমাদের দেশের বিজ্ঞানী আর তথ্যপ্রযুক্তিবিদরা মিলে কাজ শুরু করলেন এই বছরের জানুয়ারির দিকে_জুন মাসের মাঝে কাজ শেষ। ব্যাপারটা সম্ভব হয়েছে নানা কারণে। বড় একটা প্রশংসা প্রাপ্য প্রফেসর হাসিনা খানের, কয়েক বছর আগে থেকে তিনি একটা পাটগাছকে আলাদা করে তার বীজ থেকে জিনোম বের করার প্রয়োজনীয় মাল-মসলা প্রস্তুত করে যাচ্ছেন। বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের পৃথিবীব্যাপী যোগাযোগ রয়েছে কোন কাজটি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে করিয়ে আনতে হবে তার নিখুঁত পরিকল্পনা করতে। ডাটা সফটের অফিসে ছোট একটা বদ্ধ ঘরে কম্পিউটারের সামনে বসেছে এ দেশের সেরা কিছু বিজ্ঞানী আর তথ্যপ্রযুক্তিবিদ। সবার মাঝে একটা মিল_তারা সবাই তরুণ। দেশের জন্য সবার গভীর মমতা। আমার মাঝেমধ্যে তাদের দেখার সুযোগ হয়েছে। বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম আমাকে একবার বললেন, 'আপনি এই ছেলেমেয়েদের উৎসাহ দিয়ে কিছু বলে যান।' আমি হেসে ফেলেছিলাম। বলেছিলাম, 'আমি তাদের কী উৎসাহ দেব? আমি এখানে আসি তাদের দেখে উৎসাহ পাওয়ার জন্য!' এই বিজ্ঞানী এবং তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ছাড়াও বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরাও ছিলেন_সবাই মিলে একটি অসাধারণ টিম, যারা এই অসাধারণ কাজটি শেষ করেছেন।
৩.
পাট জিনোমের রহস্য বের করা হয়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে নবীন ছাত্র বা ছাত্রীটিও খুশি, আমিও খুশি! আমার খুশি হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে; কিছু কারণ সবাই অনুমান করতে পারছেন। জিনোম বের করার ক্ষমতা রাখে সে রকম হাতে গোনা কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশও এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছে। এই অসাধারণ কাজটি করা হয়েছে সরকারি, বেসরকারি, দেশীয় এবং দেশের বাইরের কিছু প্রতিষ্ঠানের যুক্ত প্রচেষ্টায়। সবাই মিলে কাজ করে যে ম্যাজিক করে ফেলা যায়, সেটি প্রমাণিত হয়েছে। পাট জিনোমের মেধাস্বত্ব হবে বাংলাদেশের_পৃথিবীর বড় কোনো দেশ আমাদের সম্পদ নিয়ে আমাদের ব্ল্যাকমেইল করতে পারবে না!
এসব কারণ ছাড়াও আমার খুশি হওয়ার অন্য একটি কারণ আছে_সেটি আমাদের নতুন প্রজন্ম নিয়ে। তারা মুখস্থ করে, প্রাইভেট পড়ে, কোচিং থেকে কোচিংয়ে ছুটে ছুটে ক্লান্ত হয়ে যায়। কেউ কেউ কখনো কখনো বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখে, তখন তাদের অভিভাবকরা ধমক দিয়ে তাদের স্বপ্নকে ছিন্নভিন্ন করে দেন। তাদের বলেন, বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখা যাবে না, যে বিষয়ে পড়লে চাকরি পাওয়া যাবে সে বিষয়টাই পড়তে হবে। আমাদের দেশের ছেলেমেয়েদের তখন সেই স্বপ্নকে বাক্সবন্দি করে রেখে রসকষহীন, আনন্দহীন, মোটা মোটা বই মুখস্থ করতে হয়।
আমরা প্রথমবার একটা সুযোগ পেয়েছি এই দেশের ছেলেমেয়েদের বলার জন্য যে তাদের স্বপ্নকে বাক্সবন্দি করে রাখতে হবে না। তারা স্বপ্ন দেখতে পারবে, এই দেশে তারা বিজ্ঞানী হতে পারবে। পাট জিনোম বের করার এই প্রজেক্টের নাম দেওয়া হয়েছিল স্বপ্নযাত্রা! সেই স্বপ্নে যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই যাত্রা এখন আর কেউ ঠেকাতে পারবে না।
আমি জানি এই যাত্রা খুব কঠিন। এই দেশে ধারণা করা হয় শিক্ষা অনুৎপাদনশীল খাত। এই দেশে শিক্ষকরা হচ্ছেন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা, এই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করার জন্য কানাকড়ি দেওয়া হয় না, এই দেশে বিশ্ববিদ্যালয়কে টিটকারি করার জন্য 'বিশ্ববিদ্যা-লয়' নামে নতুন নতুন শব্দ আবিষ্কার করা হয়; কিন্তু তার পরও আমি জানি এই দেশের অসংখ্য শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী বুকের মাঝে স্বপ্ন পুষে নিঃশব্দে সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন।
পাট জিনোমের যে স্বপ্নযাত্রা শুরু হয়েছে সেই যাত্রার লক্ষ্য অনেক দূর, সেখানে পেঁৗছাতে হবে।
বুড়ো মানুষেরা ইতস্তত করবে, পিছিয়ে নিতে চাইবে; কিন্তু তরুণ প্রজন্ম নিশ্চয়ই সবাইকে টেনে নিয়ে যাবে। আমার সেই বিশ্বাস আছে।

১৭.০৬.১০

original source

Jute genome decoded [courtesy daily star]

Subscribe to comments feed Comments (2 posted)

avatar
দিলরুবা শাহানা 22/06/2010 09:36:51
বাংলাদেশের কোনকিছু ভাল হয়েছে, কেউ কিছু ভাল করেছে শুনলে আত্মবিশাসে মন বলীয়ান হয়ে উঠে। রোববারে রাতের ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকায় মাকসুদুল আলমের ছবি সহ পাঠের জিন মানচিত্র আবিস্কারের খবরটি খুব যত্মসহ ছাপে ও এ বিষয়ে মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বতস্ফূর্ত সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করে! তখনি বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের গুণীজনের কথা শুনতে উদগ্রীব ছিলাম। আজ ডঃ জাফর ইকবালের লেখাটি সে আশা পূর্ণ করলো। বর্তমানের ক্ষতিকর পলিথিন নির্ভরতা থেকে বাঁচাতে পারে পাট সেই পাট বিষয়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ কাজ যাঁরা করেছেন তাঁরা নমস্য। বৈজ্ঞানিক আবেদ চৌধুরী BEN এর ই-মেইল আলোচনায়ও বহুবার পাটের উন্নতির জন্য জিন নিয়ে কাজ প্রয়োজন তা বলেছেন। তখন ভাল করে বিষয়টির গুরুত্ব বুঝিনি।
এখনও যে বুঝে ফেলেছি তা বলবো না। তবে ভারতের মিডিয়া বা প্রচারমাধ্যমে বিষয়টি যে শোর তুলেছে তাতে বোঝা যাচ্ছে পাটের উন্নতি অবশ্যম্ভাবী। এখন দরকার পাটের জিন মানচিত্রকে কাজে লাগানো ও সবার আগে বিষয়টির উপর বাংলাদেশের সত্ব প্রতিষ্ঠা।
দিলরুবা শাহানা
avatar
Farid Ahmed 22/06/2010 09:55:59
Thanks PriyoAustralia for this publication. We the academics expected that New Din Bodoler Sarkar shall take initiative to promote research in Bangladesh.However, it is ironically true that the PM never told us that she wants enlighten Bangladesh.The parliament members are also engaged to satisfy only ARMY and AMLA.When Inida and Pakistan have changed their mind and paying high salaries to teachers, at that time we are still waiting for attention.Readers would be astonished that I cannot claim more that 3000 TAKA per year from a research project whatever the amount of the total cost. So,only 250 Taka per month extra I can get from doing research.Nevertheless,it is good that Mrs. Matia Chy was kind enough.
total: 2 | displaying: 1 - 2

Post your comment

  • Bold
  • Italic
  • Underline
  • Quote

Please enter the code you see in the image:

Captcha
  • email Email to a friend
  • print Print version
  • Plain text Plain text

Tagged as:

No tags for this article
Priyo Writers

Navigate archive
first first November, 2014 first first
Su Mo Tu We Th Fr Sa
1
2 3 4 5 6 7 8
9 10 11 12 13 14 15
16 17 18 19 20 21 22
23 24 25 26 27 28 29
30